বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

জয়া আহসানের বয়সের খোঁজে ‘মহাকাশ গবেষণা’!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা-কলকাতা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের বয়স নিয়ে ইন্টারনেটে যে পরিমাণ গবেষণা চলে, তার অর্ধেক শ্রম দিলে হয়তো মঙ্গল গ্রহে এতদিনে মানুষ বসতি গেড়ে ফেলত। প্রতিবছর জয়ার জন্মদিন এলে ক্যালকুলেটর হাতে বসে যান একদল “বয়স-বিশেষজ্ঞ”। তবে জয়া বরাবরের মতোই এই সব সমীকরণকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে দিন দিন আরও সতেজ হয়ে উঠছেন।

ছবিটি জয়া আহসানের ফেইসবুক থেকে নেয়া এবং দৈনিক কণ্ঠস্বরের ষ্ট্যাণ্ডার্ড অনুযায়ী এডিট করা।
ছবিটি জয়া আহসানের ফেইসবুক থেকে নেয়া এবং দৈনিক কণ্ঠস্বরের ষ্ট্যাণ্ডার্ড অনুযায়ী এডিট করা।

🧬 রহস্যটা ঠিক কোথায়?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর নিয়ম অনুযায়ী মানুষের বয়স বাড়ে, কিন্তু জয়া আহসানের ক্ষেত্রে সম্ভবত “রিভার্স গিয়ার” কাজ করছে। তাঁর সাম্প্রতিক ছবিগুলো দেখে নেটিজেনদের একাংশের দাবি—জয়া আসলে কোনো এক গোপন “অমৃত” পান করেছেন, অথবা তাঁর ড্রয়িংরুমে কোনো জাদুকরী ঘড়ি আছে যা উল্টো দিকে ঘোরে।

ছবিটি জয়া আহসানের ফেইসবুক থেকে নেয়া এবং দৈনিক কণ্ঠস্বরের ষ্ট্যাণ্ডার্ড অনুযায়ী এডিট করা।

📊 নেটিজেনদের তিন ধরনের মতামত:

১. গাণিতিক দল: এরা গুগলের তথ্য অনুযায়ী জয়ার বয়স বের করে প্রতি বছর অবাক হওয়ার নাটক করেন। ২. রহস্যবাদী দল: এদের বিশ্বাস, জয়া আসলে গত কয়েক দশক ধরে একই বয়সে “পজ” (Pause) করে রেখেছেন নিজেকে। ৩. আবেগপ্রবণ দল: এদের বক্তব্য সহজ—”বয়স তো জাস্ট একটা সংখ্যা, জয়া আসলে চিরসবুজ এক রূপকথা!”

ছবিটি জয়া আহসানের ফেইসবুক থেকে নেয়া এবং দৈনিক কণ্ঠস্বরের ষ্ট্যাণ্ডার্ড অনুযায়ী এডিট করা।

🔍 আমাদের অনুসন্ধান যা বলছে:

আমাদের গোপন সূত্রে জানা গেছে, জয়া আহসানের আসল বয়স নাকি ১৮ বছর… (তবে গত ২০-২৫ বছর ধরে তিনি এই ১৮ তেই আটকে আছেন!)। অনেক ভক্তের মতে, জয়া যখন স্কুলে পড়তেন, তখনও তাকে যেমন দেখাত, এখন যখন তিনি পর্দায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, তখনও তিনি সেই একই ‘কলেজ গার্ল’।

💡 শেষ কথা:

আসলে জয়ার ডায়েট, শরীরচর্চা আর ইতিবাচক মানসিকতাই হয়তো তাঁর এই চিরযৌবনের রহস্য। বয়স বাড়ুক বা না বাড়ুক, পর্দায় তাঁর অভিনয় আর স্টাইল দেখে তরুণীরা ঈর্ষা করেন আর তরুণরা দীর্ঘশ্বাস ফেলেন—এটাই জয়া ম্যাজিক!

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
Back to top button