বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

হাসিনার আইডিয়া চুরি করে হেলিকপ্টারে করে পালালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী! কপিরাইট মামলা

ডিগবাজ: কণ্ঠস্বর ফান ডেস্ক

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভারতে পলাতক শেখ হাসিনার উদ্ভাবনী যুগান্তকারী আইডিয়া, হেলিকপ্টারে করে দেশ ছেড়ে পালানোর আইডিয়াটির উদ্ভাবক শেখ হাসিনার কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে বেআইনি প্রয়োগ করেছেন নেপালের পলাতক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। প্রবল গনআন্দোলনে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মত নেপালের প্রধানমন্ত্রীও দেশ ছেড়ে দিল্লির পথে পালালেন গত মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

শেখ হাসিনা পালানোর পর দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আশ্রয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি প্রতিদিন রুটিন মাফিক বাংলাদেশে তার রেখে যাওয়া (পালাতে ব্যর্থ) কিছু অনুসারী, যারা ৫ আগস্টের পর পালাতে পারেননি, তাদের সাথে নিয়মিত অনলাইনে খোশগল্প করে যাচ্ছিলেন। সরকার পতনের পর তার অনুসারীদের চাদাবাজি, চুরি-ছিনতাই, ফ্রি খাওয়া সহ সবকিছু হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায়, সর্বোপরি আর্থিক যোগান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পালাতে ব্যর্থ অনুসারীরা তাদের দুঃখ কষ্ট নেত্রীর সাথে ভাগ করতেন এবং নেত্রী কান্নার অভিনয় করে তার অনুসারীদের সান্তনা দিতেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্ডারে আছেন, যেকোন সময় চট করে ঢুকে যেতে পারেন, তিনি দ্রুত ক্ষমতায় আসবেন, ৫ই আগস্ট জঙ্গী আক্রমণে তাকে উৎখাত করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে উৎখাত আমেরিকা-পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র ইত্যাদি আষাঢ়ে গল্প শুনিয়ে তিনি তার বেকুব অনুসারীদের এতদিন সফলতার সাথে বোকা বানিয়ে যাচ্ছিলেন। বেকুব অনুসারীদের উত্তেজিত করে আন্দোলনে নামিয়ে তাদের জীবন ঝুকির মধ্যে ফেলে নিজে ফায়দা আদায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।

কিন্তু বিপত্তি বাধে তখন, যখন তার উদ্ভাবনী আইডিয়া “হেলিকপ্টারে করে দেশ থেকে পালানোর আইডিয়া“টি আসল উদ্ভাবক শেখ হাসিনার অনুমতি না নিয়ে, সেটি প্রয়োগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। শেখ হাসিনার উদ্যগে ইতিমধ্যে তার উদ্ভাবনী হেলিকপ্টারে পালানোর আইডিয়াটি নিজের নামে মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট করার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। খোজ নিয়ে জানা যায় শেখ হাসিনার অত্যন্ত দুইজন আস্থাভাজনকে তিনি এই দায়িত্ব দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন- মোহাম্মদ এ. আরাফাতব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার। মোহাম্মদ এ. আরাফাত সমন্বয়কের কাজ করছেন এবং ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার আইনী দিক তদারকি করছেন।

মোহাম্মদ এ. আরাফাতের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবনী আইডিয়াটি চুরি করে প্রয়োগ করায় শেখ হাসিনা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। তিনি তার ক্ষোভের বিষয়টি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও জানিয়েছেন

নরেন্দ্র মোদী বিষয়টি গভীর গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন এবং হেলিকপ্টারে পালানোর আইডিয়াটি যেন শেখ হাসিনার নামে মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট করা হয় সে ব্যাপারে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনচীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এর কাছে জোর সুপারিশ করবেন।

নরেন্দ্র মোদী শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, আপনি বিচলিত হবেন না, আমি নরেন্দ্র মোদী থাকতে আমার কাছ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পাবেন কারন, আপনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় আমাকে যা দিয়েছেন তা আমি জীবনেও ভুলতে পারবনা। আমি গুমুত্র (গরুর মুত্র) পান করে শপথ করে বলছি, আপনার উদ্ভাবনী আইডিয়া, হেলিকপ্টারে করে দেশ ছেড়ে পালানোর আইডিয়াটি চুরি করায় নেপালের প্রধান্মন্ত্রীকে আমি ফাসিতে ঝুলাব

শেখ হাসিনার উদ্ভাবনী জগৎবিখ্যাত আইডিয়াটির মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট যাতে দ্রুত পাওয়া যায় সেজন্য নরেন্দ্র মোদী মোহাম্মদ এ. আরাফাত ও ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদারকে নিয়মিত পরামর্শও দিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এটি বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম ‘হেলিকপ্টারে করে পালানোর অভিনব আইডিয়াটি কপিরাইট প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় অন্য কেউ আইডিয়াটি উদ্ভাবকের অনুমতি না নিয়ে হুবুহু প্রয়োগ করে ফেলেছে, এটি মেধাস্বত্ব আইনের সরাসরি লঙ্ঘন”। নেপালের পলাতক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি তার এই অপরাধের জন্য বিরাট অংকের জরিমানার স্মমুখিন হতে পারেন।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
Back to top button