বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

‘ওরা এই বাড়িতেই খাবে, আমরা যা খাই তাই’—খালেদা জিয়ার আতিথেয়তায় মুগ্ধ মাইলস

বিনোদন প্রতিবেদক | ঢাকা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ চার দশকের পথচলায় জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলস-এর ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য স্মৃতি। তবে ৯৩-৯৪ সালের একটি ঘটনা আজও অমলিন ব্যান্ডের সদস্য হামিন আহমেদের হৃদয়ে। সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আতিথেয়তা এবং মানবিকতার এক অজানা গল্প শেয়ার করেছেন তিনি।

প্লেটে খাবার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী হামিন আহমেদ জানান, ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে শহীদ মঈনুল রোডের বাসভবনে গান গাওয়ার জন্য মাইলসকে আমন্ত্রণ জানান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সাউন্ড চেক করতে করতে দুপুর হয়ে গেলে জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠরা ব্যান্ড সদস্যদের অন্য কোথাও খাওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু বেগম জিয়া সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলেছিলেন, “না, ওরা এই বাড়িতেই খাবে। আমরা যা খাই, ওরাও তাই খাবে।”

হামিন আহমেদ স্মৃতিচারণ করে লিখেন, “আমরা যখন ডাইনিং টেবিলে বসলাম, তিনি নিজেই আমাদের প্লেটে খাবার তুলে দিতে শুরু করেন। আমি নিজের প্লেটের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম, এটা কি সত্যিই ঘটছে? দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি ছিলেন কতটা বিনয়ী ও সম্মানবোধসম্পন্ন!”

ফিরোজা বেগমের মৃত্যু ও খালেদা জিয়ার মমতা স্মৃতিচারণে উঠে আসে ২০১৪ সালে হামিন আহমেদের মা, কিংবদন্তি নজরুল সঙ্গীতশিল্পী ফিরোজা বেগমের প্রয়াণের কথা। হামিন আক্ষেপ করে লিখেন, তৎকালীন সরকার ফিরোজা বেগমকে কোনো রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়নি, এমনকি শীর্ষস্থানীয় কেউ বাসায় সমবেদনা জানাতেও আসেননি। কিন্তু অসুস্থতা সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়া এক মুহূর্ত দেরি না করে ইন্দিরা রোডের বাসায় ছুটে গিয়েছিলেন।

হামিন লিখেছেন, “তিনি আমাদের পাশে বসে মায়ের স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন যেন তিনি আমাদেরই পরিবারের একজন। সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি আমার স্মৃতিতে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।”

এক অদ্ভুত কাকতালীয় ঘটনা পোস্টের শেষে হামিন আহমেদ একটি কাকতালীয় বিষয়ের দিকে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ফিরোজা বেগমের সন্তান হামিন উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলো যে বাড়িতে কাটিয়েছেন, সেই বাড়িটির নামও ছিল ‘ফিরোজা’

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button