বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামে জনতার ঢল: দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার অঙ্গীকার তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠ আজ রূপ নিয়েছিল এক জনসমুদ্রে। কানায় কানায় পূর্ণ জনসভায় দাঁড়িয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা ঘোষণা করেছেন। তাঁর বজ্রকণ্ঠে উঠে এসেছে দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার এবং চট্টগ্রামকে প্রকৃত বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার এক সাহসী প্রতিশ্রুতি।

দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলার ঠাঁই নেই রোববার দুপুরে আয়োজিত এই বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান সাফ জানিয়ে দেন, জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশে দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। তিনি বলেন, “যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। এটি কেবল স্লোগান নয়, এটি বিএনপির অঙ্গীকার।” তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অপরাধীর পরিচয় শুধুই ‘অপরাধী’। দলমত নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে থাকবে না।

নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে কঠোর হস্তে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেন তিনি। তারেক রহমানের মতে, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনাই সফল হবে না। খেটে খাওয়া মানুষ যাতে ভয়হীন পরিবেশে তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন, সেটিই হবে আগামীর সরকারের অগ্রাধিকার।

বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামের পুনর্জন্ম চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই উদ্যোগ শুরু করেছিলেন, কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণে তা থমকে যায়। গত ১৫ বছরে এই বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি ঘোষণা করেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে ধানের শীষ জয়ী হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী করা হবে, যা সারা দেশের কর্মসংস্থানে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং মেয়র শাহাদাত হোসেনসহ চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের প্রার্থীরা মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। জনসভার শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান প্রার্থীদের ধানের শীষ হাতে নিয়ে জনগণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

বিশাল এই জনসভা কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং চট্টগ্রামের মানুষের জন্য এক নতুন আশার বার্তা হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button