বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

নতুন সরকারে আস্থার ফেরাচ্ছে ব্যবসায়ীদের হাতছানি: লালফিতা ছিঁড়বে তো?

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। শপথ নিয়েছেন নতুন মন্ত্রিসভা। দেশের অর্থনীতিতে এখন যেন প্রাণ ফেরার অপেক্ষা। গত দেড় বছরের স্থবিরতা, আস্থার সংকট আর বিনিয়োগের খরা—সব মিলিয়ে নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জের পাহাড়। ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মূল চাওয়া একটাই—আস্থার জায়গাটি পুনরুদ্ধার করা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “সকাল দেখেই বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে।” নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের উদ্যোগগুলোই বলে দেবে বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়বে, অর্থনীতি গতিশীল হবে—এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। তবে, ব্যবসায়ী সমাজ চায় না কোনো বেআইনি সুযোগ-সুবিধা। তারা চায় নিয়মনীতির কঠোর চর্চা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান।

লালফিতা থেকে মুক্তি ও আস্থার সংকট ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক বছরে ব্যবসা-বাণিজ্যে এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আমলাতান্ত্রিক লালফিতার দৌরাত্ম্যে অনেক বিনিয়োগ আটকে ছিল। নতুন সরকারের কাছে বড় দাবি, কোনো সিদ্ধান্ত যেন প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে না থাকে। রাজনৈতিক আনুগত্যের বাইরে গিয়ে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: প্রথম ১০০ দিনের চ্যালেঞ্জ শিল্পকারখানার চাকা সচল রাখতে সবচেয়ে বড় বাধা এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট। ব্যবসায়ীদের মতে, রাতারাতি সমস্যার সমাধান সম্ভব না হলেও সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে এলএনজি আমদানি বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে উৎপাদনমুখী শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করা নতুন সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা।

জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও দায়িত্ব বিপুল জনসমর্থন নিয়ে গঠিত নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা সম্পূর্ণ সহায়তা করতে প্রস্তুত। সরকার শুধু বিনিয়োগের একটি উন্নত ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে দিলেই হবে।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button