
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। জনস্বার্থে দায়ের করা এই রিটে গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার পাশাপাশি প্রকাশিত গেজেট স্থগিত ও বাতিল চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ রিটটি দায়ের করেন। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে এই রিটের শুনানি হতে পারে।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি স্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো, আইন বা বিধিমালা অনুসরণ না করেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি ‘সাংবিধানিক ট্রাস্টি’ হিসেবে অভিহিত করে আবেদনে বলা হয়েছে, সরকার তার সাংবিধানিক সীমার মধ্যে থাকতে বাধ্য এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন কার্যক্রম সংবিধান লঙ্ঘন করে।
রিটে আরও যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, শপথগ্রহণের মাধ্যমে বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও কোনো সাংবিধানিক অনুমোদন ছাড়া ক্ষমতার চর্চা নিয়মবিরুদ্ধ এবং বাতিলযোগ্য।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পক্ষে রায় আসে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০টি, যা ‘না’ ভোটের (২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি) চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।







