বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

বিকাশে টাকা ছড়িয়ে ভোট কেনার চেষ্টা, ‘গুপ্ত’ দলের বিরুদ্ধে রবিউল আলমের বিস্ফোরক অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

ভোটের মাঠে এবার নতুন আপদ ‘বিকাশ ষড়যন্ত্র’। ঢাকা-১০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম অভিযোগ করেছেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল আড়ালে থেকে ভোটারদের বিকাশে টাকা পাঠিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে হাজারীবাগ এলাকায় নির্বাচনী জনসংযোগকালে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, “একটি গুপ্ত দল অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে মানুষের মোবাইলে টাকা পাঠাচ্ছে। তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করছে, যার ফলে তাদের খুঁজে পাওয়া কঠিন হচ্ছে। তবে জনগণ সজাগ থাকলে কোনো গোপন ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।”

দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে ধানের শীষ বিএনপি প্রার্থী রবিউল আলম জানান, তাঁকে এই মুহূর্তে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রথমত, বিকাশে টাকা ছড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা, আর দ্বিতীয়ত, ‘পতিত ফ্যাসিবাদী’ গোষ্ঠীর অপতৎপরতা। তিনি বলেন, “একটি মহল চায় না মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসুক। তারা সুকৌশলে ভোটারদের নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা রাজপথে আছি, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াই আমাদের বড় শক্তি।”
হাজারীবাগে জনজোয়ার ও নাগরিক অধিকারের প্রতিশ্রুতি আজ হাজারীবাগের বেড়িবাঁধ, ঝাউচর, মনসুর বাগ ও সিরাজনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন রবিউল আলম। শত শত নেতা-কর্মীর ‘ধানের শীষ’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকাটি। এ সময় রবিউল আলম অভিযোগ করেন, বর্তমান অনেক সরকারি সংস্থা নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি বলেন, “হাজারীবাগ এলাকায় ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ বাস করেন, কিন্তু সে তুলনায় নাগরিক সুবিধা নেই। আমি নির্বাচিত হলে এই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকার ও সুবিধাগুলো সবার আগে নিশ্চিত করব।”
চাঁদাবাজির অপপ্রচার ও নিরাপত্তা এলাকায় চাঁদাবাজির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা এই আসনে প্রায় ৪৫০টি মতবিনিময় করেছি। আজ পর্যন্ত কেউ সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ দিতে পারেনি যে অমুক চাঁদা নিয়েছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল চাঁদাবাজি নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে পরিবেশ ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।”

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটাররা সব ভয় ও প্রলোভন উপেক্ষা করে যোগ্য নেতৃত্বকেই বেছে নেবেন বলে তিনি দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button