
স্বাধীনতার পর থেকে ২২ জন ব্যক্তি দেশের অর্থনৈতিক হাল ধরেছেন। এবার সেই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংক খাতের সংস্কারের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শুরু করলেন।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যাত্রাপথে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পর এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এর মাধ্যমে স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ২২ জন অর্থমন্ত্রী ও অর্থ উপদেষ্টার তালিকায় নতুন নাম যুক্ত হলো।
নতুন অর্থমন্ত্রীর জন্য এই দায়িত্ব বেশ চ্যালেঞ্জিং। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে লাগামহীন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং খেলাপি ঋণ কমানোর মতো বিষয়গুলো তার সামনে বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে ইতিপূর্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও, সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এবার পুরো অর্থনীতির চাকা সচল রাখার দায়িত্ব তার কাঁধে।
ইতিহাসের আয়নায় অর্থমন্ত্রীগণ
বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সরকার প্রধানরাও অনেক সময় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বাধীনতার পরপরই প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। তবে রেকর্ড অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বার এই দায়িত্ব পালন করেছেন এম সাইফুর রহমান এবং আবুল মাল আবদুল মুহিত। সাইফুর রহমান তিন দফায় দায়িত্ব পালনকালে দেশে প্রথম ভ্যাট আইন প্রচলন করেন। অন্যদিকে, আবুল মাল আবদুল মুহিত রেকর্ডসংখ্যক ১২টি বাজেট পেশ করে ইতিহাসে নিজের নাম উজ্জ্বল করেছেন।
তালিকায় অন্যদের মধ্যে রয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান, শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ অনেকেই। এবার আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই দীর্ঘ তালিকায় যোগ হয়ে নতুন আশার আলো ছড়াতে পারেন কি না, সেটাই দেখার বিষয়।







