
সাইফুল ইসলাম
গণতন্ত্র জনগণের ইচ্ছার দ্বারা পরিচালিত হয় — তাদের কণ্ঠস্বর, তাদের পছন্দ এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে। এটি সমৃদ্ধ হয় তখনই, যখন সবার মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকে — বিশেষ করে সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের জন্য।একটি গণতন্ত্র যদি কাউকে বাদ দেয়, তবে তা মোটেও গণতন্ত্র নয়।
যারা গণতন্ত্রকে অসম্মানিত করতে বা দুর্বল করতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—আমি নিজে একনায়কতন্ত্রের অধীনে বাস করেছি।
আরও অনেকের সঙ্গে মিলে আমি আমার দেশ পর্তুগালে গণতন্ত্র পুনর্গঠনে ভূমিকা রেখেছি।আমি জানি, গণতন্ত্র আর একনায়কতন্ত্রের পার্থক্য কতটা গভীর।
আজ আমরা আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের ১৮ বছর এবং জাতিসংঘ গণতন্ত্র তহবিলের ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করছি। এই মুহূর্তে আমরা শ্রদ্ধা জানাই পৃথিবীর সেইসব সাহসী মানুষকে, যারা সংলাপ, অংশগ্রহণ এবং আস্থার ভিত্তিতে তাদের সমাজ গড়ে তুলছেন।এমন এক সময়ে যখন বিভ্রান্তিকর তথ্য, বিভাজন এবং সংকুচিত নাগরিক স্বাধীনতার কারণে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন হুমকির মুখে, তখন এই প্রচেষ্টাগুলো আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি।
জাতিসংঘ নিজেই একটি সংলাপের মঞ্চ — যা আমাদের সনদের প্রথম বাক্যে বলা হয়েছে: “আমরা জনগণ।এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জাতিসংঘের বৈধতা ও উদ্দেশ্য আসে কেবল যাদের আমরা সেবা করি, সেই জনগণের কাছ থেকে।
আসুন আমরা সবাই মিলে গণতন্ত্রকে মর্যাদা, অন্তর্ভুক্তি ও শান্তির শক্তি হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করি — এবং এটি সকলের জন্য নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করি।







