বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

নায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকীতে ভাইরাল তারেক রহমানের সঙ্গে হাসিমুখের ছবি, কী কথা হয়েছিল সেদিন?

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোনো অনেক স্মৃতিরোমন্থন চলছে। তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চর্চিত হচ্ছে ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি নায়ক মান্নার সঙ্গে তারেক রহমানের একটি পুরোনো ছবি। ১৭ ফেব্রুয়ারি মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী এবং একই দিনে তারেক রহমানের দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কাকতালীয় ঘটনায় ছবিটি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করে নেটিজেনরা সেই পুরোনো সময়ের স্মৃতির ঝাঁপি খুলছেন।

রমনার বটমূলে দুই ভুবনের দুই তারকার সাক্ষাৎ

ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্ভবত ২০০২ সালের পর কোনো এক পহেলা বৈশাখের। রমনার বটমূলে বর্ষবরণের আয়োজনে অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মান্না। সেখানেই তৎকালীন ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। ছবিতে দেখা যায়, দুজনই আন্তরিক হাসিমুখে পরস্পরের দিকে তাকিয়ে কুশল বিনিময় করছেন।

সেদিন কী কথা হয়েছিল?

প্রয়াত নায়কের স্ত্রী শেলী মান্না এই পুরোনো স্মৃতি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানান, ছবিটি তাদের কাছেও সযত্নে রক্ষিত আছে। শেলী মান্নার ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন দুজনের মধ্যে বেশ আন্তরিক আলোচনা হয়েছিল।

“সেদিন হঠাৎ করেই মান্নার সঙ্গে তারেক রহমানের দেখা হয়। মান্না জানিয়েছিলেন, তারেক রহমান তাঁর অভিনয়ের খুব প্রশংসা করেছিলেন। মূলত অভিনয়, সিনেমা এবং দেশ—এই বিষয়গুলো নিয়েই তাদের কথা হয়েছিল। তারকাদের রাজনীতিতে এসে দেশের সেবার প্রসঙ্গও উঠে এসেছিল আলোচনায়।”

মান্না সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অগাধ, যা তাঁর অভিনীত ‘দাঙ্গা’, ‘লুটতরাজ’, ‘আম্মাজান’ বা ‘বীর সৈনিক’-এর মতো সিনেমাগুলোতে ফুটে উঠত। শেলী মান্না বলেন, “মান্না অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। তবে তাঁদের পরিবার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও মান্না অভিনয়েই বেশি মনোযোগী ছিলেন। সেদিন তারেক রহমান আন্তরিকভাবেই তাঁর খোঁজখবর নিয়েছিলেন এবং সিনেমা জগত নিয়ে কথা বলেছিলেন।”

২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৪৩ বছর বয়সে অকালে প্রয়াত হন মান্না। আজকের এই বিশেষ দিনে, যখন তারেক রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে, তখন এই ছবি কেবল একটি পুরোনো মুহূর্ত নয়, বরং দেশের সংস্কৃতি ও রাজনীতির এক নীরব সাক্ষী হিসেবে ফিরে এসেছে।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button