বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

মানিকগঞ্জে রগরগে গল্পের আড়ালে ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র

মানিকগঞ্জে নবগ্রাম ইউপি মেম্বার আজম আলীর বিরুদ্ধে মামলা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার আজম আলীর (৪৫) বিরুদ্ধে নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মেম্বার চৈতী আক্তার (৩১) বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা, বানোয়াটা, ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে হয়রানি করছে এ তথ্য জানান নবগ্রাম ইউনিয়নবাসী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানান.
প্রবাসীর সাবেক স্ত্রী দুই সন্তানের জননী চৈতী আক্তার পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রহস্যের জট পাকিয়ে বিয়ের প্রলোভনে মানিকগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে আজম আলীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ২১৬/২০২৫ নং পিটিশন মামলা দায়ের করেন।

নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মেম্বার রিনা আক্তার বলেন, আমি এক মাস ধরে অসুস্থ, বিছানায় শুয়ে আছি। আজম ভাই ও চৈতী আপার সাথে যে ঘটনা লোকমুখে শুনতেছি এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। তাছাড়া তাঁদের দুইজনের মধ্যে পূর্বে অশ্লীল কিছু দেখি নাই। আমাদের পরিষদের সবার সাথে সবারই আন্তরিক সুসম্পর্ক আছে।

নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আউলাদ হোসেন বলেন, আজম আলী মেম্বারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ঘটনা। নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে চৈতী আক্তার যে মামলা দিয়েছে তা মিথ্যা মামলা। যে ছবি বিভিন্ন পত্রিকাসহ অনলাইনে প্রকাশিত হচ্ছে তাহা পরিষদে মিটিং চলা অবস্থায় এই ছবি তোলা হয়েছে।

মামলার বাদী চৈতী আক্তারের মামলার ৩ নং সাক্ষী সজল বলেন , এই ঘটনা সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই । মামলার ৪ নং সাক্ষী রোকেয়া বেগম বলেন, মামলার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮, ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মেম্বার চৈতী আক্তার বলেন, আমি আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে মানিকগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে বিচার প্রার্থী হয়েছি।তিনি আরো বলেন, বিজ্ঞ আদালত মামলার তদন্তের নির্দেশ দেন মানিকগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের নিকট।

নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার আজম আলী বলেন , চৈতী আক্তারের সাথে আমার কোন বাজে সম্পর্ক নেই, তাঁকে আমি বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের প্রশ্নই উঠেনা। আমার বিরুদ্ধে চৈতী আক্তার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, ২০০০ এর ৯(খ) ধারায় বিজ্ঞ আদালতে যে মামলা দায়ের করেন তাহা সম্পূর্ণ ডাহামিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। চৈতী আক্তার আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা সামাজে আমার মানহানি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আপনারা এলাকায় এসে আমার সম্পর্কে জানেন। মামলার সাক্ষীদের নিকট মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।

ফেসবুক, অনলাইনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত যে ছবি ব্যবহার করা হয়েছে তাহা চৈতী আক্তার ও তাঁর জনৈক ব্যক্তিদের পূর্বপরিকল্পিত সাজানো নাটক। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক রিক্তা খাতুন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হবে

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button