বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে গরুর ফার্ম সম্প্রসারণ নিয়ে বিরোধ

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি।। মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের আন্ধারমানিক গ্রামের রাজা মিয়ার কন্যা লতা আক্তারের গরুর ফার্ম সম্প্রসারণ নিয়ে বিরোধ ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

অভিযোগ উঠেছে , লতার গরূর ফার্মের ময়লা আবর্জনার পচাদুর্গন্ধে মশা, মাছির উৎপাতে আশপাশে এলাকায় জনজীবন অতিষ্ঠ। তাঁদের আরো অভিযোগ এই অবৈধ ফার্মের ট্রেড লাইসেন্স নেই ,পরিবেশ ছাড়পত্র নেই। এবিষয়ে লতা (২৬) ও তাঁর স্বামী আবছার খান (৫৬) এর নিকট জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ফার্মের সমস্ত কাগজপত্র অতিশিঘ্রই করা হবে।

দোদন্ড প্রত্যাপে প্রশমিত বিরোধের জের ধরে হাতাহাতির খবরও পাওয়া গেছে। এবিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে জানা গেছে, লতা আক্তার ৯ জনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ জনকে আসামি করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। সদর থানা পুলিশ এজাহারভুক্ত ১ নং আসামি ছানোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

৯ নং আসামি বেতিলা মিতরা ইউনিয়নের মোঃ মিজান কোন্পানি জামিন নিয়েছে বলে জানান মিজান কোন্পানি। ৮ নং আসামি নাসিমা খানমও জামিন পেয়েছেন । এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়েছে কিনা তা এখনো জানা যায়নি।

গরুর ফার্মের স্বত্বাধিকারী লতা আক্তার বলেন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ আগষ্ট দুপুরে আমার বসতবাড়ি ও ফার্মে অনধিকার প্রবেশ করে আমার স্বামীসহ পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা । জীবনের নিরাপত্তা ও লুটপাট হওয়া সম্পদ ফেরত পেতে আমি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ৩১ আগষ্ট মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেছি।যাহার মামলা নং ৪৩। উল্লেখ্য, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মানিকগঞ্জ পৌরএলাকার একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায় রহস্য জনক মামলায় এজাহারভুক্ত ১ নং বিবাদী ছানোয়ার হোসেন পেশায় মানিকগঞ্জ পৌরসভার সিনিয়র সার্ভেয়ার।

মানিকগঞ্জবাসীর দাবি ছানোয়ার হোসেন একজন ধর্মভীরু ও সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ,বানোয়াট, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন। ৮ নং বিবাদীর বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা মিতরা ইউনিয়নে।তাঁর নাম নাসিমা খানম (৫০) । তিনি আবছার খানের ২ নং সাবেক স্ত্রী।

৬ নং বিবাদী শামীম এর সাবেক স্ত্রী মামলার বাদী লতা আক্তার। তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, চট্টগ্রাম নিবাসী কাতার প্রবাসী মৃত ইউনুছ খানের পুত্র আবছার খান ( ৫৬) এর তৃতীয় স্ত্রী ৫০ লাখ টাকা চাঁদাবাজী মামলার বাদী লতা আক্তার (২৬) ।

সমাজের বিশিষ্ট জনেরা বলেন, ১ নং বিবাদী ছানোয়ার হোসেন বাদীর চাচার জমি ছনকড়ালি নিয়ে কলাবাগান করছেন। জমিটি ফার্মের সাথে হওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তী সংবাদ জানতে চোঁখ রাখুন।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button