বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

বিকাশ, সিটি ব্যাংকসহ ৫ প্রতিষ্ঠান পেল সিআইবি লাইসেন্স: কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি বিকাশ, সিটি ব্যাংকসহ পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে Credit Information Bureau (CIB) লাইসেন্স দিয়েছে। এই পদক্ষেপ মূলত আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কেন দেওয়া হলো এই লাইসেন্স?

১. ঋণ ঝুঁকি কমানো
আগে কেবল ব্যাংক ও এনবিএফআই (Non-Bank Financial Institution) গুলোই সিআইবি রিপোর্ট ব্যবহার করতে পারত। এখন মোবাইল ফাইন্যান্স কোম্পানি, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার-রাও তাদের গ্রাহকের ক্রেডিট ইতিহাস যাচাই করতে পারবে। এর ফলে গ্রাহক ইতোমধ্যেই অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ খেলাপি কিনা তা জানা সম্ভব হবে এবং ঋণ ঝুঁকি কমানো যাবে।

২. ডিজিটাল ক্রেডিট ও মাইক্রোলোন চালু
বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ছোট অঙ্কের ডিজিটাল ঋণ বা “মাইক্রো লোন” দিতে শুরু করেছে। সিআইবি ডাটাবেসের মাধ্যমে গ্রাহকের ঋণ পরিশোধ ক্ষমতা যাচাই করা সহজ হবে।

৩. আর্থিক অন্তর্ভুক্তি (Financial Inclusion)
যারা আগে কখনো ব্যাংক ঋণ নেননি, তাদের ঋণ ও পরিশোধ রেকর্ড এখন সিআইবিতে সংরক্ষিত হবে। ফলে ভবিষ্যতে তারা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বড় ঋণ পেতে সুবিধা পাবেন।

৪. স্বচ্ছতা ও প্রতারণা প্রতিরোধ
একই ব্যক্তি বা ব্যবসা একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া থেকে রোধ করা যাবে। সব তথ্য সিআইবি রিপোর্টে প্রদর্শিত হবে।

কোন প্রতিষ্ঠান পেল এই লাইসেন্স?

প্রাথমিকভাবে এই সুবিধা প্রদান করা হয়েছে:

  • বিকাশ (bKash)

  • সিটি ব্যাংক

  • আরও কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান (মোট ৫টি)

লক্ষ্য

মূল উদ্দেশ্য হলো ডিজিটাল ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, মাইক্রোফাইন্যান্স ও কনজিউমার ফাইন্যান্সে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা এবং আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা আনা।

বাংলাদেশের ডিজিটাল ফাইন্যান্স খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই পদক্ষেপের ফলে গ্রাহকরা নিরাপদে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকি কমিয়ে আরও বেশি মানুষকে আর্থিক সেবায় অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হবে।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button