
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘এনসিপি হলো ইনসাফের পক্ষে। যদি কেউ ইনসাফের পক্ষে থাকে, তবে ধরে নেওয়া হবে তিনি এনসিপির পক্ষের। এসসিপি করে বেইনসাফি কাজ করার কোনো সুযোগ নেই।’
রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বড়কামতা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণখাড়া গ্রামে স্থানীয় এনসিপি আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “সত্যের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিটি গ্রাম-মহল্লা ইউনিয়নভিত্তিক সবাইকে এক হয়ে অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। এনসিপি সর্বদা সত্যের পক্ষে আছে। আপনারা সত্যের পথে থাকলে আমি সর্বদা আপনাদের পাশে থাকব।”
তিনি আরও বলেন, “হোন্ডা–গুন্ডার রাজনীতি আর চলবে না। নেতৃত্ব হবে নেতার গুণাবলি থেকে, হোন্ডা–গুন্ডার মাধ্যমে নয়। জনগণের পাশে থাকতে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রয়োজন নেই। সত্য কথা বলার জন্য রাজনৈতিক শেল্টারের প্রয়োজনও নেই। তবে কেউ বাধা দিলে আমি পাশে দাঁড়াব।”
হাসনাত আবদুল্লাহ প্রকাশ করেন, যারা রাজনীতি করেন, তাঁদের আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তিনি বলেন, “আমি কাউকে প্রোগ্রামের জন্য ৫০০ বা ১০০০ টাকা দেবার সামর্থ্য রাখি না। রাজনীতি যারা করে তারা সাধারণত স্বাবলম্বী হয় না। তবে দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ থাকলে, সেটি আমাদের দ্বারা সম্ভব নয়।”
উঠান বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন দেবীদ্বার উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী জামাল মোহাম্মদ কবির। বৈঠকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংগঠক মো. আরমান হোসাইন। এছাড়া শিক্ষকসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য রাখেন।







