
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছেন কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয়ভাবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনের কৃষি বিষয়ক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখেন। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ কৃষি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি তিনি ছাত্রদের কল্যাণে, কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নে এবং সংগঠনের প্রতি তার নিষ্ঠা দিয়ে দ্রুতই কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই ত্যাগী নেতা পরবর্তীতে যুবদলের রাজনীতিতে সরাসরি সম্পৃক্ত হন। তিনি যুবদলের সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি যুবদলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার প্রত্যাশী এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
কৃষিবিদ সানোয়ার আলম কেবল সাংগঠনিক রাজনীতিতেই নয়, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি কারাবরণ করেছেন, যা তার রাজনৈতিক জীবনের এক গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে উল্লেখযোগ্য। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, তার এই ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং সাহসী নেতৃত্বই তাকে সংগঠনের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেও সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। কৃষক সমাজের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো তার রাজনৈতিক জীবনের একটি বড় অংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, কৃষিবিদ সানোয়ার আলমের অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ত্যাগী ভূমিকা তাকে ভবিষ্যতে যুবদল তথা বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। ছাত্রদল থেকে শুরু করে যুবদল পর্যন্ত তার দীর্ঘ পথচলা প্রমাণ করে, তিনি আগামী দিনের রাজনীতিতে দলের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠতে পারেন।







