বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

মানিকগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ।

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুইলাখ টাকা চাঁদাদাবিসহ সাংবাদিক পরিচয়ে ‘তদবির বাণিজ্য’র অভিযোগ, কথা না শুনলেই ফেসবুকে অপপ্রচার! শিরোনামের খবর আবাসন নিউজ ২৪ সূত্রে জানা গেছে।

আবাসন নিউজ ২৪ এর কাছে দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আনিছুল ইসলাম আনসারী বলেন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম আমার বিরুদ্ধে অহেতুক মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি আমার নিকট দুইলাখ টাকা চাঁদাদাবি করেন। আমি দিতে পারবো না বলায় তিনি আমার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। আমি এই মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ভুক্তভোগী দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আনিছুল ইসলাম আনসারীর অভিযোগ তিনি এই প্রতিবেদককে কোনো বক্তব্য না দিলেও প্রতিবেদক তাঁর নাম ব্যবহার করে এমনসব কথা মিডিয়াতে প্রকাশ করেন,যা তিনি কখনো বলেননি।

ভুক্তভোগী নায়েব আরো বলেন, সাংবাদিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আমার কাছে দুইলাখ টাকা চাঁদাদাবি করেন। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ার পর থেকেই আমাকে ঘিরে একেরপর এক নেতিবাচক ও অসত্য সংবাদ প্রকাশ করেন।

বিশেষ করে ইউএনও স্যার ও সহকারী কমিশনার ( ভূমি) স্যারকে জড়িয়ে আমার নামে যেসব ছাপা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্কে নেই। আমি যদি সত্যিই এসব কথা বলে থাকি, তাহলে আমার বক্তব্যের অডিও বা ভিডিও প্রকাশ করা হোক। পরিশেষে নায়েব আরো বলেন , আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি বা সম্পাদিত ভুয়াছবি ছড়ানো হয়েছে। আবাসন নিউজ ২৪ সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)

প্রবির বিশ্বাস বলেন, সংবাদে আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জড়িয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে, তাঁর কোনো সত্যতা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি এধরনের কোনো বক্তব্য দেননি। দৌলতপুর ভূমি অফিসে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অবৈধ লেনদেনের সুযোগ নেই। তবে কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে বা অসংগতির তথ্য থাকলে তা নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত করা হবে। একইভাবে, একজন সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে যে অর্থ দাবির অভিযোগ এসেছে এবং বক্তব্য না নিয়ে মনগড়া বক্তব্য প্রকাশের বিষয়টি উঠেছে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

আমারা সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো অসত্য বা ভিত্তিহীন প্রচারণার বিষয়ে সতর্ক রয়েছি। আবাসন নিউজ ২৪ আরো উল্লেখ করেন যে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার পরিচয়দানকারী সাবেক সেনা সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ‌সরকারি বেসরকারিসহ বিভিন্ন দপ্তরে তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর কথা না শুনলেই ফেসবুকে অপপ্রচার চালানো হয় এবং সমাজের সহজসরল লোকদের বিভিন্ন কৌশলে হয়রানি করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষের সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন কাজ, বিশেষ করে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন তিনি । এরপর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাছে কাজটি করে দেওয়ার জন্য সুপারিশ বা তদবির করেন তিনি। আবাসন নিউজ ২৪ আরো উল্লেখ করেন সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আট ইউনিয়নের ভূমি অফিসেও তৎপরতার অভিযোগ আছে। দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা,বাঘুটিয়া,চকমিরপুর,চরকাটারী,জিয়নপুরকলিয়া ,খলসী ও ধামশ্বর এই আটটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ভূমিসংক্রান্ত কাজেও তাঁর তদবিরের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, জমির নামজারি, খাজনা, রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন ভূমি সংক্রান্ত কাজে সমস্যা বা কাগজপত্রে জটিলতা থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে কাজ করিয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া বা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। এরপর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই করে আইনগত বা নথিগত সমস্যার কারণে কোনো কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাঁর উপর চাপসৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।তদবিরে সাড়া না দিলে ফেসবুকে নেতিবাচক প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের তদবির অনুযায়ী কাজ করতে রাজি না হলে ওই কর্মকর্তা বা দপ্তরের বিরুদ্ধে সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে চাপসৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। সমাজের সচেতন মহল জনস্বার্থে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ধামশ্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে‌ যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা নিরপেক্ষ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তাঁরা। চলমান তদন্তের সময় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, সুনির্দিষ্ট অডিও ,ভিডিও এবং নথীসহ ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ পাওয়ার পর কোনঠাসা হয়ে এই নায়েব নিজের অনিয়ম ঢাকতে তিনি আবাসন নিউজ ২৪ নামের একটি নাম সর্বস্ব ও অখ্যাত অনলাইন পোর্টালকে ব্যবহার শুরু করেন।

ঐ পোর্টালে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টারের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবির বানোয়াট অভিযোগ তোলা হয়। উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক মোঃ ওয়াসীম মিয়া তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেন যে আমার বিরুদ্ধে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর ঊর্ধ্বতন পৃষ্টপোষকতায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করায় আমি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানায় ১ নং অভিযুক্ত মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের ছোট রঘুনাথপুর গ্রামের মরহুম মিজানুর রহমানের পুত্র মোঃ টিপু রহমান ( ২৫)

২ নং অভিযুক্ত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও ৩ নং অভিযুক্ত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক ও প্রকাশকসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঘিওর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এবং এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ঘিওর উপজেলা নিবার্হী অফিসার, মানিকগঞ্জ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা, জেলা মানিকগঞ্জ বরাবর অনুলিপি দিয়েছি।

মোঃ ওয়াসীম মিয়া তাঁর অভিযোগে জানান, আমার আপন ফুফু মৃত রাজিয়া বেগম গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইন্তেকাল করেন। তিনি জীবিত থাকাকালীন আমার পিতা ও আমি তাঁহার নিয়মিত দেখাশোনা এবং খোঁজখবর রাখিতাম। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করিতেন। পক্ষ্যতরে ১ নং অভিযুক্ত মোঃ টিপু রহমান তাঁহার নাতি হওয়া সত্ত্বেও ফুফুর কোনো খোঁজখবর রাখিতোনা এবং ১৬ বছর বয়সে এক মেয়েকে ভাগাইয়া নিয়া ঢাকায় অবস্থান করিতো। বর্তমানে সে দুই সন্তানের জনক এবং আইন বা ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক সে কোনো এতিম নয়। আমার ফুফু জীবিত অবস্থায় সম্পূর্ণসুস্থ মস্তিষ্কে এবং স্বেচ্ছায় তাঁহার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কর্পোরেট শাখা ঢাকা সোনালী ব্যাংকের এফডিআর/ অ্যাকাউন্ট্যান্টে আমাকে একমাত্র নমিনি বা মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে যুক্তকরিয়া যান। ফুফুর মৃত্যুর পর দেশের প্রচলিত ব্যাংকিং আইন অনুযায়ী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ্য সমস্ত কাগজপত্র যাচাইবাছাই করে নমিনি হিসেবে আমার নিকট মোট উনিশলাখ চারহাজার একশত আটষট্টি টাকা হস্তান্তর করেন। এই টাকা কোনো চুরি বা আত্মসাৎ এর বিষয় নহে, বরং সম্পূর্ণ আইনসন্মত প্রাপ্তি । ১ নং অভিযুক্ত মোঃ টিপু রহমান উক্ত টাকার লোভ সামলাতে না পেরে এবং আমার নিকট থেকে বেআইনিভাবে টাকা দাবি করে ব্যর্থ হয়ে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং আমার সরকারি চাকরিচ্যুত করার কু মানসে ২ ও ৩ নং অভিযুক্তদের সাথে হাত মিলায়।

ফলশ্রুতিতে গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকায় ২ ও ৩ নং অভিযুক্তের প্রকাশনায় মানিকগঞ্জে ভুয়া এ্যাডভোকেট পরিচয়ে এতিমের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ভূমি অফিস কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি শিরোনামে একটি সম্পূর্ণ একপেশে, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে চোর লকারভাঙচুরকারী এবং প্রতারক হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। পরোধনলোভী অভিযুক্তগণ ব্যাংকের মূলনথিপত্র বা সত্যতা যাচাই বাছাই না করেই আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে এই মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করেছে ,যা দন্ডবিধি এবং দেশের সাইবার আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ। এই অসত্য ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের ফলে সমাজে ও আমার কর্মস্থলে চরমমানহানি হয়েছে। যা আমার সরকারি চাকরির ক্যারিয়ারের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এবং আমার মানসিক অপুরনীয় ক্ষতিসাধন করেছে এবং আমার পরিবার চরমহতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। আমি এই অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তিদাবি করছি। পরবর্তীতে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা যেন আমার মতোন কাউকে আর হয়রানি করতে না পারেন।

মানিকগঞ্জ জেলাজুড়ে আরো অভিযোগ উঠেছে ,জেলার ঘিওর উপজেলার ৬ নং বানিয়াজুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টু বলেন, সাংবাদিক আবুল হোসেন ও তাঁর বাহিনী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ,বানোয়াট, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় আমার চরমমানহানি করেছেন। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮ ও ৯ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য নুরজাহান বেগম দৈনিক পৃথিবী প্রতিদিন পত্রিকার কাছে ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন, মুটা সাংবাদিক আমার কাছে টাকা চায়। দৈনিক পৃথিবী প্রতিদিনের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের সময় স্থানীয়রা জানান, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও দৈনিক সরেজমিন পত্রিকার রিপোর্টার আবুল হোসেন পুটাইল ইউনিয়নের ৭ ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্যের কাছে টাকা দাবি করেন। ‌ ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ লুৎফর রহমান ও ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য চিত্তরঞ্জন সরকারের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীর আলম ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করায় তাঁদের মানহানি হয়েছে। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ও সাংবাদিক আবুল হোসেন দুজন পুটাইল ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য নুরজাহান বেগমের নিকট চাঁদা দাবি করেন বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া আরো জানা গেছে, শিবালয় উপজেলার বেজপাড়া বাজারের সার বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় আমার মানহানি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, শিবালয় কৃষি অফিসার স্যার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমের সংবাদের তদন্ত করে দেখেছেন যে এটা মিথ্যা সংবাদ।

পরবর্তী সংবাদ জানতে চোঁখ রাখুন ।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button