বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

অভিনব কায়দায় স্বর্ণ চোরাচালান, গোয়েন্দার জালে মাসকাট ফেরত যাত্রী

আরিফুর সাদনান রহমানঃ এ এক অভিনব কায়দা, পেস্ট গলাতেই বেরিয়ে এলো ২৪ ক্যারেট স্বর্ণপিণ্ড, মোট ৫৩১ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া গেলো যার মূল্য শুল্ক-করাদিসহ আনুমানিক মূল্য ১ কোটি টাকার বেশি।

১৮ সেপ্টেম্বর নির্ভরযোগ্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্য হতে আগত সালাম এয়ারের  ফ্লাইট ওভি ০২৪৬-এ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ওমানের মাসকাটফেরত এক যাত্রীর ব্যাগেজ ও প্যান্টের পকেট থেকে মোট ৫৩১ গ্রাম স্বর্ণ আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর মাসকাট থেকে আগত মোহাম্মদ হাসান মুরাদ নামের যাত্রীকে কাস্টমস হলরুমে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের টীম ও অন্যান্য সংস্থার উপস্থিতিতে ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে যাত্রীর ব্যাগেজের ভেতরে বিশেষ কৌশলে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পেস্ট আকারের স্বর্ণসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। পরে স্বর্ণ কারিগরের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের পর ওই পেস্ট থেকে ৪২৫ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেট স্বর্ণপিণ্ড পাওয়া যায়।

দেহ তল্লাশির সময় যাত্রীর প্যান্টের পকেট থেকে আরও ১০৬ গ্রাম ওজনের ৩৫ পিস বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার আটক করা হয়।

ফলে পেস্ট থেকে প্রাপ্ত স্বর্ণপিণ্ড ও স্বর্ণালংকার মিলিয়ে আটক স্বর্ণের সর্বমোট ওজন দাঁড়ায় ৫৩১ গ্রাম।

আটক স্বর্ণের শুল্ক-করাদিসহ আনুমানিক মোট মূল্য ১,০০,৪১,৫৫৫ টাকা (এক কোটি একচল্লিশ হাজার পাঁচশত পঞ্চান্ন টাকা)।

বিশেষ কৌশলে স্বর্ণ লুকিয়ে আনার এ ঘটনায় আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে আর কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, স্বর্ণের উৎস ও গন্তব্য কোথায় এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত—এসব বিষয়ও অনুসন্ধান করে দেখবে।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button