
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার পরিদর্শন করেছেন দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কণ্ঠস্বর’-এর সম্পাদক জোসেফ ডি কস্টা। পরিদর্শন শেষে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জাতীয় সংহতি নিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেন।
শ্রদ্ধা ও পরিদর্শন: আজ দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন জোসেফ ডি কস্টা। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করেন। এসময় তাঁর সাথে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং সাধারণ ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশবাসীর প্রতি বার্তা: পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কণ্ঠস্বর সম্পাদক জোসেফ ডি কস্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের এক আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক। তাঁর জীবনের বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে। আমি আজ এখানে রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যে আসিনি, বরং একজন নাগরিক হিসেবে দেশের এক ক্রান্তিলগ্নে শান্তির বার্তা দিতে এসেছি।”
তিনি দেশবাসীর প্রতি তিনটি প্রধান বার্তা প্রদান করেন:
১. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা: তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সকল ধর্মের মানুষের। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়া। বর্তমান সময়ে কোনো অপশক্তি যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।”
২. গণতন্ত্রের মুক্তি: জোসেফ ডি কস্টা উল্লেখ করেন যে, বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি সকল পেশাজীবীকে সাহসের সাথে সত্য প্রকাশ করার আহ্বান জানান।
৩. হিংসার রাজনীতির অবসান: তিনি বার্তা দেন যে, প্রতিশোধ বা হিংসার রাজনীতি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। তরুণ প্রজন্মকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।
সম্পাদক জোসেফ ডি কস্টা আরও বলেন, “কণ্ঠস্বর সবসময় সাধারণ মানুষের কথা বলে। আমরা চাই দেশে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরে আসুক যেখানে প্রতিটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত হবে।”
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও সম্পাদক জোসেফ ডি কস্টার এই সংক্ষিপ্ত অথচ জোরালো বার্তা দেশের সচেতন মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে দেশের চলমান অস্থিরতার মধ্যে একটি ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।







