
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় গণভোট ঘিরে জনমনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং মাঠপর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তৃণমূল পর্যায়ে গণভোট সংক্রান্ত যে কোনো অস্পষ্টতা দূর করতে সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত রোববার বরিশালে বিভাগীয় কর্মকর্তা সম্মেলন ও ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব ও প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
সরকারের এই মহাপরিকল্পনার আওতায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়গুলো বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং এনজিও প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে। অন্যদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে দেশের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে যাতে তাঁরা সাধারণ মানুষের মাঝে গণভোটের সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে পারেন।
বিভাগীয় পর্যায়ে কর্মসূচির সূচি: ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আজ ১২ জানুয়ারি রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরবর্তী কর্মসূচিগুলো হলো:
-
১৪ জানুয়ারি: রংপুর
-
১৫ জানুয়ারি: চট্টগ্রাম
-
১৭ জানুয়ারি: ঢাকা
-
১৯ জানুয়ারি: ময়মনসিংহ
-
২২ জানুয়ারি: সিলেট
-
২৪ জানুয়ারি: খুলনা
এসব সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, বিশিষ্ট সাংবাদিক, প্রেসক্লাব ও দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। মূলত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে আয়োজিত এই গণভোটে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এসব কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোটারদেরকে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা এবং এটি কীভাবে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নির্ধারণ করবে, সে বিষয়ে সম্যক ধারণা দেওয়া হবে।







