বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করতে এনসিপির অভিনব কৌশল: ২৭০ আসনে নিয়োগ দিচ্ছে ‘অ্যাম্বাসেডর’

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হতে যাচ্ছে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বহুল আলোচিত ‘জুলাই সনদ’–এর ওপর ভিত্তি করে আয়োজিত গণভোট। এই গণভোটের মাঠ নিজেদের দখলে রাখতে এক ব্যতিক্রমী প্রচারণা কৌশল নিয়েছে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)।

৩০০ আসনেই এনসিপির প্রচারণা

এনসিপি ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ৩০টি আসনে প্রার্থী দিলেও, পুরো দেশের জনগণের কাছে পৌঁছাতে চায় দলটি। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মাহাবুব আলম জানান, যেসব আসনে তাদের কোনো প্রার্থী নেই, সেই ২৭০টি আসনে তারা বিশেষ ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগ দেবেন।

কীভাবে কাজ করবেন এই ‘অ্যাম্বাসেডর’রা?

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এনসিপির কর্মপদ্ধতি হবে দুই স্তরের:

  • প্রার্থী থাকা আসন (৩০টি): এই আসনগুলোতে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীরাই গণভোটের প্রচারণার মূল নেতৃত্ব দেবেন।

  • প্রার্থীহীন আসন (২৭০টি): এখানে দল মনোনীত ‘অ্যাম্বাসেডর’রা স্থানীয় জনগণের দ্বারে দ্বারে যাবেন। তারা ‘জুলাই সনদ’–এর গুরুত্ব এবং গণভোটে কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া প্রয়োজন, তা সহজভাবে ব্যাখ্যা করবেন।

রাজনৈতিক তাৎপর্য

এনসিপির এই সিদ্ধান্তের পেছনে কৌশলগত কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এনসিপির এক নেতা জানান, ২৭০ আসনে প্রতিনিধি নিয়োগের ফলে মাঠ পর্যায়ে দলটির সাংগঠনিক উপস্থিতি দৃশ্যমান হবে। এতে “এনসিপি সব আসনে প্রার্থী দেয়নি”—এই সমালোচনা কাটিয়ে দেশজুড়ে একটি সমন্বিত রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব হবে।

শিগগিরই এই ২৭০ জন প্রতিনিধির তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করবে এনসিপি। জুলাই সনদের ওপর ভিত্তি করে আয়োজিত এই গণভোটের রায় কোন দিকে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button