
বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান সংঘাত, জলবায়ু সংকট এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে—এমন বাস্তবতার মধ্যেই পালিত হচ্ছে এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।
জাতিসংঘের মহাসচিব তাঁর বার্তায় বলেন, “আমরা এক কঠিন ও পরীক্ষার সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সংঘাত, স্থানচ্যুতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অসংখ্য মানুষ মানসিক চাপ ও দুর্দশার মধ্যে রয়েছে।
এই বছরের প্রতিপাদ্য অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা-এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। মহাসচিব জানান, সংঘাতে আক্রান্ত প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যায় ভোগেন, অথচ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও সহায়তা পাওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, “মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি অপরিহার্য। জরুরি প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবেই মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং এতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
জাতিসংঘ প্রধান ফ্রন্টলাইন কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও প্রমাণভিত্তিক সেবার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, “মানসিক স্বাস্থ্যের দীর্ঘদিনের অবহেলা বন্ধ করতে হবে।
আজকের দিনে, আসুন আমরা প্রতিশ্রুতি নিই — প্রতিটি মানুষের, প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেব, বিশেষ করে যখন তারা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।







