বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

মানবিক ত্রাণ নিয়ে গাজার পথে গ্রেটা থানবার্গের নৌবহর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ৩০ আগস্ট ২০২৫, ঢাকা

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

কামরুল আলম

ইসরাইলের অবরোধ ভাঙতে এবং গাজার মানবিক সংকটে সহায়তা পৌঁছাতে সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীদের একটি নৌবহর বার্সেলোনা বন্দর থেকে যাত্রা করেছে।

আয়োজক সংগঠন গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা জানিয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য একটি মানবিক করিডোর খোলা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান দমন-নির্যাতন বন্ধে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ।

ইতিহাসের বৃহত্তম সংহতি মিশন:
ব্রাজিলিয়ান কর্মী থিয়াগো আভিলা সাংবাদিকদের বলেন, এবারকার ফ্লোটিলা হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংহতি মিশন। এতে আগের সব প্রচেষ্টার তুলনায় বেশি জাহাজ ও কর্মী অংশ নিচ্ছেন। সংগঠকরা জানিয়েছেন, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর তিউনিসিয়া এবং অন্যান্য ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর থেকেও জাহাজ ছাড়বে। ফ্লোটিলা সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

অভিযানে অংশ নিচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা:
গ্রেটা থানবার্গ ছাড়াও ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা, বিভিন্ন দেশের কর্মী এবং বার্সেলোনার সাবেক মেয়র আদা কোলাউ অভিযানে যুক্ত হয়েছেন। পর্তুগিজ আইনপ্রণেতা মারিয়ানা মোর্তাগুয়া একে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে বৈধ মিশন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। থানবার্গ ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ৪৪টি দেশে একযোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।

পূর্ববর্তী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল:
গত জুন ও জুলাই মাসে গাজায় সাহায্য পৌঁছাতে ফ্লোটিলার দুটি প্রচেষ্টা ইসরাইলি বাহিনী আটকে দেয়। জুনে ম্যাডলিন নামের জাহাজে থাকা ১২ কর্মীকে আটক করে বহিষ্কার করা হয়। জুলাইয়ে হান্দালা নামের জাহাজে ১০টি দেশের ২১ কর্মী একই পরিণতির শিকার হন।
গাজায় মানবিক বিপর্যয়:
জাতিসংঘের সর্বশেষ সতর্কতায় বলা হয়েছে, গাজায় পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ এখন দুর্ভিক্ষ ও “বিপর্যয়কর” মানবিক সংকটে রয়েছে।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button