
পাকিস্তানি প্রতিবেদক
পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচিতে রেকর্ড ভাঙা তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত দুই সপ্তাহে তাপমাত্রা বারবার ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই করেছে, যা চলতি দশকে অন্যতম ভয়াবহ গরম বলে উল্লেখ করেছে জাতিসংঘের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (WMO)।করাচির বিভিন্ন হাসপাতালে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১০ দিনে শহরের সরকারি হাসপাতালে ২৩০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।
জাতিসংঘের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চরম তাপদাহের ঘটনা আরও ঘন ঘন দেখা দেবে। এর প্রভাব শুধু স্বাস্থ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপরও তীব্র চাপ ফেলবে।
করাচির বাসিন্দা নাসির আলী ইবাংলা.প্রেসকে বলেন, বিদ্যুৎ নেই, পানির লাইন শুকনো। দিনের বেলা কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তবুও ঘরে বসে থাকলে পেট চলবে না।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, নগর পরিকল্পনায় গাছপালা রোপণ, পানির সংরক্ষণ ও সৌরশক্তি ব্যবহার বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।
একইসঙ্গে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) শহরে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রকল্প হাতে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
জাতিসংঘ বারবার বলছে, জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন কৌশলে যথাযথ বিনিয়োগ না করলে করাচির মতো ঘনবসতিপূর্ণ নগরীতে মানবিক সংকট বাড়তে থাকবে।







