
নিয়ামত উল্লাহ
আগামি ২৫ জুন আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস। এ উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন সমুদ্রপথে কর্মরত নাবিকদের প্রতি সমতা, শ্রদ্ধা ও মর্যাদা ভিত্তিক আচরণ নিশ্চিত করা হয়।
রোববার (২২ জুন) একটি লিখিত বার্তা প্রদান করেন জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র ঢাকা থেকে। জাতিসংঘের দেয়া বার্তায় বলা হয়, “নাবিকরা বিশ্ব বাণিজ্যকে সচল রাখেন। তারা খাদ্য, ওষুধ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিশ্বজুড়ে সরবরাহ করে আমাদের জীবন ও অর্থনীতিকে চালিয়ে রাখছেন।
অথচ, প্রায়ই তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয় এবং তারা নানা ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হন।” চলতি বছরের প্রতিপাদ্য: এ বছর জাতিসংঘ বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে নাবিকদের প্রতি হয়রানি ও বৈষম্যের অবসান বিষয়টিতে। নারী, তরুণ কর্মী এবং বিচ্ছিন্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে থাকা নাবিকদের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, “শূন্য সহনশীলতার নীতি এবং মানসিক স্বাস্থ্যবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। সরকার, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন – যাতে সমুদ্রপথে শ্রম মানদণ্ড ও নিরাপদ, মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।
বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশে হাজার হাজার নাবিক সমুদ্র ও উপকূলীয় জাহাজে কর্মরত রয়েছেন। তারা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও অনেক সময় নানা শ্রম অধিকার থেকে বঞ্চিত হন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক নীতিমালার সাথে মিল রেখে দেশের সমুদ্রখাতে কাজ করা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার ও বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।







