বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী

কন্ঠস্বর অনলাইনঃ বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনারের নাম প্রায় চূড়ান্ত করেছে দেশটির সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, সবকিছু ঠিক থাকলে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন শেষ হলেই ঢাকায় নতুন দূত পাঠাবে নয়াদিল্লি। এক্ষেত্রে নতুন হাইকমিশনার হয়ে আসার তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী। ঢাকার নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে পুরাদস্তুর রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার করাকে দিল্লির ভিন্নধর্মী কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নানা আলোচনা-পর্যালোচনার পর ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠানোর বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত করেছে মোদি প্রশাসন। সরকারের উচ্চপর্যায়ে এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতার বাকি। পাশাপাশি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়ামে দূত করে পাঠানোর বিষয়টিও চূড়ান্ত।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের চরম অবনতি হয়। তবে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর হারানো সম্পর্ক ফিরে পেতে জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে নয়াদিল্লি। এখানেই ত্রিবেদীকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে দেশটি। এর পেছনে শুধু রাজনৈতিক কারণ নয়, বরং সাংস্কৃতিক দিকটিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ফলে বাংলা ভাষাভাষী একজনকে বেছে নেয়ার পরিকল্পনা থেকেই ত্রিবেদীকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতের নীতিনির্ধারকরা।

আশির দশকে কংগ্রেসে যোগ দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তবে সেখানে থিতু হননি। ১৯৯০ সালে দল পরিবর্তন করে চলে যান জনতা দলে। এরপর ১৯৯৮ সালে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলে। এখান থেকে নির্বাচন করে সাংসদ হয়ে এক পর্যায়ে রেলমন্ত্রীও হন। তবে তৃণমূলেও তিনি স্থির হননি। ২০২১ সালের মার্চে যোগ দেন ভারতীয় জনতা পার্টি তথা মোদির পদ্মশিবিরে। এখন বিজেপিতেই রয়েছেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শিগগিরই ঢাকায় দূত হিসেবে আসতে পারেন ভারতীয় এই রাজনীতিবিদ।

বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

Back to top button