
বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্স। শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকাল ৫টায় উত্তরা এলাকায় জিএম কাদেরের বাসার সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শতাধিক পুলিশ মোতায়েন ছিল।
প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেছেন, নুরুল হকের ওপর হামলা ন্যাক্কারজনক, নির্মম ও পরিকল্পিত, এবং এতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সরাসরি জড়িত থাকার কথা তারা উল্লেখ করেছেন। হামলায় প্রায় ৯০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্সের আহ্বায়ক ফানতাছি মাহামুদ বলেন, “গত ১৬ বছরে অনেকবার হামলার শিকার হয়েছি, কিন্তু এত ভয়াবহ ও অমানবিক ঘটনা আগে কখনো হয়নি। যারা জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি। জিএম কাদের ও জাতীয় পার্টি ভারতের প্রভাবিত দল এবং তারা আওয়ামী লীগের সহযোগী। তিনটি ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে তাকে দাঁড় করিয়ে ডামি সরকার বানানো হয়েছে।”
ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে:
১. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার মদতদাতাদের খুঁজে শাস্তি দেওয়া।
২. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জিএম কাদেরকে গ্রেফতার।
৩. পুলিশ সংস্কার কমিশন পুনঃচালু ও কার্যক্রম গতিশীল করা।
৪. ৫০ হাজার বিপ্লবী পুলিশ নিয়োগ।
৫. জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড তদন্ত করে তাদের নেতৃত্ব নিষিদ্ধ ঘোষণা।
ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা উত্তর জেলা সভাপতি আরাফাত হোসেন জানান, “ভিপি নুরের ওপর হামলায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী জড়িত। আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। আমাদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকসহ বহু নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এটি ছিল নগ্ন বর্বরতা।”
প্রতিবাদকারীরা উত্তরা বিএনএস সেন্টারে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে— “জি এম কাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। আপা গেছে যেই পথে, জাপা যাবে সেই পথে।” পরে তারা আজমপুর সড়ক প্রদক্ষিণ করে মঞ্চে এসে বক্তব্য রাখেন।







